সন্তান, সে তো আসমান থেকে পাওয়া। সন্তান, সে তো স্বর্গ থেকে আসা। সন্তান, সে তো স্বপ্ন দিয়ে বোনা সোনা-রঙা সোনালি ফসল। সন্তান পৃথিবীর সবচেয়ে সুখের সম্পদ। সন্তান চোখের শীতলতা, অন্তরের কোমল উষ্ণতা, হৃদয়ের গহীনে সযত্নে চাষ-করা এক টুকরো মুক্তো। সন্তান মানে বেঁচে থাকার শক্ত অবলম্বন। সন্তান মানে সারাদিন ঘামঝরা ভীষণ খাঁটুনির পর এক অনাবিল প্রশান্তি। সন্তান মানে শত ঘুটঘুটে অন্ধকারেও আলোর ঝলকানি। সন্তান মানে অর্থবহ সার্থক বেঁচে থাকা। সন্তান মানে সহস্র হতাশার ভিড়েও আশার ফোয়ারা। সন্তানই তো উত্তপ্ত মরুভূমিতে ছায়া দেয়। হাড়-কাঁপানো-শীতে উষ্ণতা জোগায়। হাসি, খুশি আর আনন্দে জীবন রাঙায়। জীবনের শেষ বেলায় চশমা হয়ে পথ দেখায়, লাঠি হয়ে ভার নেয়, বাহন হয়ে সবখানে নিয়ে বেড়ায়, মুখে তুলে খাইয়ে দেয় আবার যত্ন করে ঘুম পাড়ায়।
কিন্তু এতসব প্রাপ্তির তৃপ্তি পেতে সন্তানকে আগে ‘মানুষ’ বানাতে হয়, তিলে তিলে গড়ে তুলতে হয়, অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে নোঙর ফেলতে হয়। ওহির আলোয় আলোকিত করে আপনি আপনার সন্তানকে কীভাবে জ্বলজ্বলে উজ্জ্বল করে গড়ে তুলবেন, সন্তানকে কীভাবে পৌঁছে দেবেন আলোর ঠিকানায় সেজন্যই আমাদের এই সবুজ আয়োজন——সন্তানের ভবিষ্যৎ।
সত্যায়ন প্রকাশন
দুটো জিনিস নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের জন্য রেখে গেছেন-কুরআন এবং সুন্নাহ। দুনিয়ার যত মতবাদ, তত্ত্ব কিংবা আদর্শই সামনে আসুক, কুরআন আর হাদীসের মাপকাঠিতে তা যদি ইয়ত্তীর্ণ না হতে পারে, তাহলে তা দ্বিতীয় চিন্তা ব্যতীতই পরিত্যাজ্য। কুরআন নাযিল হয়েছে সাড়ে চৌদ্দশ বছর আগে, কিন্তু কুরআনের প্রাসঙ্গিকতা সকল যুগ, কাল আর সময়-ব্যাপী। ওহির জ্ঞান সমাজে ছড়িয়ে দিতে দরকার জ্ঞানের বিকাশ আর সেই কাজে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এবং প্রাচীন ধারা হলো-বই। বইয়ের মাধ্যমে একটা সভ্যতাকে গড়া যায়, পরিবর্তন করে দেওয়া যায় সময়ের স্রোতকেও। ওহির আলোর মাঝেই যে সত্যিকারের মুক্তি এবং সেই জ্ঞান যে সমস্ত যুগে সমানভাগে প্রাসঙ্গিক-ব্যক্তি, সমাজসহ সকল পরিমণ্ডলে সেই আলোই যে একমাত্র সমাধান- সেই যোগসূত্রকে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দিতে সত্যায়ন প্রকাশনের উন্মেষ। সত্যায়ন প্রকাশন আলো ফেরি করে-ওহির আলো।