নতুন প্রজন্মের দিকে তাকালে প্রচন্ড দুঃখ হয়। দেখলে মনে হয়, তাদের সামনে সত্যিকারের কোনো আদর্শ নেই। নেই জীবন নিয়ে সত্যিকারের কোনো ভাবনা-পরিকল্পনা। এই সুযোগে হতাশার চাদর এসে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রাখে আমাদের সম্ভাবনাময় প্রজন্মকে।
তাদের দিকে তাকালে বোঝা যায় ভেতরে ভেতরে কেউ ভালো নেই। হৃদয়ে যেন চেপে রেখেছে আগ্নেয়গিরির উত্তপ্ত লাভা। কেউ কেউ তো চেপে রাখতে না পেরে ক্যাম্পাসে, পাড়া-মহল্লায় আত্মহুতির পথ বেঁছে নেয়। তাদের কাছে মনে হয় জীবন বুঝি এমনই, অসহ্য।
কিন্তু কে চেনাবে তাদেরকে? এক যে আছে নির্মল জীবন! যেখানে হতাশা আর গ্লানির কোনো ঠাঁই নেই। আছে পরিচ্ছন্ন অন্তর, পারিবারিক সৌন্দর্য ও প্রাণোচ্ছল হাসি । মন-মাতানো সত্যিকারের প্রশান্তি যে জীবনকে করেছে আলো ঝলমলে। এমন স্বার্থক জীবনের পথ চেনাতে মুহাতারাম শাইখ আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ রচনা করেছেন “জীবনের আয়নায়” বই। যা পাঠকের নিস্তেজ মনে গতির সঞ্চার করবে, ইনশা আল্লাহ। দিবে জীবন চলার পথে গুরুত্বপূর্ণ নসিহত ও অনুপ্রেরণা।
শাইখ আব্দুল হাই মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ
সত্যায়ন প্রকাশন
দুটো জিনিস নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের জন্য রেখে গেছেন-কুরআন এবং সুন্নাহ। দুনিয়ার যত মতবাদ, তত্ত্ব কিংবা আদর্শই সামনে আসুক, কুরআন আর হাদীসের মাপকাঠিতে তা যদি ইয়ত্তীর্ণ না হতে পারে, তাহলে তা দ্বিতীয় চিন্তা ব্যতীতই পরিত্যাজ্য। কুরআন নাযিল হয়েছে সাড়ে চৌদ্দশ বছর আগে, কিন্তু কুরআনের প্রাসঙ্গিকতা সকল যুগ, কাল আর সময়-ব্যাপী। ওহির জ্ঞান সমাজে ছড়িয়ে দিতে দরকার জ্ঞানের বিকাশ আর সেই কাজে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এবং প্রাচীন ধারা হলো-বই। বইয়ের মাধ্যমে একটা সভ্যতাকে গড়া যায়, পরিবর্তন করে দেওয়া যায় সময়ের স্রোতকেও। ওহির আলোর মাঝেই যে সত্যিকারের মুক্তি এবং সেই জ্ঞান যে সমস্ত যুগে সমানভাগে প্রাসঙ্গিক-ব্যক্তি, সমাজসহ সকল পরিমণ্ডলে সেই আলোই যে একমাত্র সমাধান- সেই যোগসূত্রকে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দিতে সত্যায়ন প্রকাশনের উন্মেষ। সত্যায়ন প্রকাশন আলো ফেরি করে-ওহির আলো।