মহান রব কুরআন নাযিলের সমাপ্তি টেনেছেন সূরা নাসর দিয়ে। এ সূরায় আল্লাহ শুনিয়েছেন বিজয়ের আগমনি বার্তা। যা মুমিনের হৃদয়কে করে উজ্জীবিত।
আজ থেকে ৬৫০ বছর আগে এ সূরাটিকে নানান আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করেছেন ইমাম ইবনু রজব হাম্বলি রহিমাহুল্লাহ। তাতে তিনি আলোচনা করেছেন বিজয়ের আগমন নিয়ে। বিজয় আসার পরে আমাদের করণীয় কী কথা বলেছেন সেসব নিয়েও। কুরআন-সুন্নাহর পাশাপাশি এতে উঠে এসেছে সালফে সালিহীনের কর্মপদ্ধতি নিয়ে কিছু কথা।
বিজয়ের দিনে বইটি হোক আমাদের আগামী বিজয়ের অনুপ্রেরণার স্মারক।
ইমাম ইবনে রজব আল-হাম্বলী (রাহিমাহুল্লাহ)
ইমাম ইবনে রজব আল-হাম্বলী (রাহিমাহুল্লাহ) ছিলেন অষ্টম হিজরি শতকের একজন বিখ্যাত মুসলিম হাদিস বিশারদ, ফকিহ ও ইতিহাসবিদ। তাঁর পুরো নাম জাইনুদ্দীন আবুল ফারাজ আব্দুর রহমান ইবনে আহমাদ আল-বাগদাদি আদ-দামাশকি। তিনি ১৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে (৭৩৬ হিজরি) বাগদাদে জন্ম নেন এবং দামেস্কে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। তিনি ৭৯৫ হিজরির রমজান মাসে ইন্তেকাল করেন।
জীবন ও শিক্ষা
- জন্ম ও স্থান: জন্ম বাগদাদে, তবে ছোটবেলায় পরিবারসহ সিরিয়ার দামেস্কে চলে যান।
- শিক্ষকগণ: বিখ্যাত আলেম ইবনুল কায়্যিম আল-জাওযিয়্যাহ ও হাফেজ আল-ইরাকীর সান্নিধ্যে ইলম অর্জন করেন।দক্ষতা: হাদিসের সনদ, মতন, রিজালশাস্ত্র এবং হাম্বলি মাযহাবের ফিকহ শাস্ত্রে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।
প্রধান রচনাবলি
- জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম: ইমাম নববীর সংকলিত চল্লিশ হাদিসের ওপর সর্বশ্রেষ্ঠ ও বিশদ ব্যাখ্যাগ্রন্থ।
- ফাতহুল বারি: সহিহ বুখারির আংশিক ব্যাখ্যাগ্রন্থ, যা তিনি জীবনের শেষভাগে লেখা শুরু করেছিলেন।
লাতাইফুল মাআরিফ: ইসলামি বছর ও বিশেষ ইবাদতের فضیلت নিয়ে লেখা বিখ্যাত কিতাব।
সত্যায়ন প্রকাশন
দুটো জিনিস নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের জন্য রেখে গেছেন-কুরআন এবং সুন্নাহ। দুনিয়ার যত মতবাদ, তত্ত্ব কিংবা আদর্শই সামনে আসুক, কুরআন আর হাদীসের মাপকাঠিতে তা যদি ইয়ত্তীর্ণ না হতে পারে, তাহলে তা দ্বিতীয় চিন্তা ব্যতীতই পরিত্যাজ্য। কুরআন নাযিল হয়েছে সাড়ে চৌদ্দশ বছর আগে, কিন্তু কুরআনের প্রাসঙ্গিকতা সকল যুগ, কাল আর সময়-ব্যাপী। ওহির জ্ঞান সমাজে ছড়িয়ে দিতে দরকার জ্ঞানের বিকাশ আর সেই কাজে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ এবং প্রাচীন ধারা হলো-বই। বইয়ের মাধ্যমে একটা সভ্যতাকে গড়া যায়, পরিবর্তন করে দেওয়া যায় সময়ের স্রোতকেও। ওহির আলোর মাঝেই যে সত্যিকারের মুক্তি এবং সেই জ্ঞান যে সমস্ত যুগে সমানভাগে প্রাসঙ্গিক-ব্যক্তি, সমাজসহ সকল পরিমণ্ডলে সেই আলোই যে একমাত্র সমাধান- সেই যোগসূত্রকে নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দিতে সত্যায়ন প্রকাশনের উন্মেষ। সত্যায়ন প্রকাশন আলো ফেরি করে-ওহির আলো।