মুসলিম ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে কুরবানী এক অনন্য ইবাদত, যা মুসলিম জীবনে তাওহীদ, তাকওয়া ও ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর। এটি কেবল পশু যবেহের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং আল্লাহ তা‘আলার প্রতি পরিপূর্ণ আনুগত্য, আত্মনিবেদন ও আত্মত্যাগের এ এক অপূর্ব নিদর্শন। কুরবানীর মাধ্যমে ঈমানের পরিশুদ্ধি, তাকওয়ার উন্নতি এবং মুসলিমদের আত্ম-পরিচয় অর্জিত“কুরবানী” বইটিতে কুরবানীর পরিচিতি, ইতিহাস, হুকুম, শার‘ঈ বিধান, পশু যবেহের পদ্ধতি, সময় ও দু‘আ, অংশীদারিত্ব, করণীয়-বর্জনীয় এবং সমসাময়িক বহু জটিল প্রশ্নের দলীলভিত্তিক সমাধান উপস্থাপন করা হয়েছে সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায়। বিশুদ্ধ ইসলামী জ্ঞানের ভিত্তিতে এবং সহজবোধ্য ভাষায় সাজানো এই বইটি কুরবানী সংক্রান্ত মাসায়েল জানতে মুসলিমদের জন্য হতে পারে প্রয়োজনীয় একটি গাইডবুক এবং কুরবানী সম্পর্কিত প্রতিটি দিক সঠিকভাবে পরিপালনে এটি হতে পারে উপযুক্ত একটি রিসোর্স, ইন-শা-আল্লাহ।
আশা করি, এ বইটি মুসলিম সমাজে কুরবানী সম্পর্কে সঠিক ধারণা ও বিশুদ্ধ আমল প্রচারে ভূমিকা রাখবে। আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সকলকে সঠিক জ্ঞান ও আমলের তাওফীক দিন। আমীন! ।
ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী একাধারে একজন গবেষক, শিক্ষাবিদ, ইসলামিক স্কলার ও লেখক, অন্যদিকে তিনি একজন দা‘ঈ ইলাল্লাহ ও স্বনামধন্য মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। ইসলামী গবেষণা, ইসলাম প্রচার ও টিভি/ইউটিউব চ্যানেলে আলোচনার মাধ্যমে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।
২০০৪ সাল থেকেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন টিভিতে তিনি ইসলামিক আলোচনা, প্রশ্নোত্তর সেশন ও উপস্থাপনায় অবদান রেখে আসছেন। দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সেমিনার ও লেকচার সেশনে এবং বহু আন্তর্জাতিক ইসলামিক সেন্টার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে তিনি জ্ঞানগর্ভ আলোচনা পেশ করেছেন।
তিনি বাংলাভাষা-ভাষীদের মধ্যে বিশুদ্ধ ও বস্তুনিষ্ঠ জ্ঞান ও শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে তাইবাহ একাডেমি, ইমাম বুখারী ট্রাস্ট ও কুল্লিয়াতুল কুরআনিল কারীম ওয়াদ-দিরাসাত আল-ইসলামিয়াহ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী ১৯৮৮ সালে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শরী‘আহ অনুষদে ভর্তি হন এবং অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে সেখান থেকে ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনকারী প্রথম বাংলাদেশী।
ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী একাধারে একজন গবেষক, শিক্ষাবিদ, ইসলামিক স্কলার ও লেখক, অন্যদিকে তিনি একজন দা‘ঈ ইলাল্লাহ ও স্বনামধন্য মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। ইসলামী গবেষণা, ইসলাম প্রচার ও টিভি/ইউটিউব চ্যানেলে আলোচনার মাধ্যমে তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।
২০০৪ সাল থেকেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের বিভিন্ন টিভিতে তিনি ইসলামিক আলোচনা, প্রশ্নোত্তর সেশন ও উপস্থাপনায় অবদান রেখে আসছেন। দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সেমিনার ও লেকচার সেশনে এবং বহু আন্তর্জাতিক ইসলামিক সেন্টার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে তিনি জ্ঞানগর্ভ আলোচনা পেশ করেছেন।
তিনি বাংলাভাষা-ভাষীদের মধ্যে বিশুদ্ধ ও বস্তুনিষ্ঠ জ্ঞান ও শিক্ষা প্রসারের উদ্দেশ্যে তাইবাহ একাডেমি, ইমাম বুখারী ট্রাস্ট ও কুল্লিয়াতুল কুরআনিল কারীম ওয়াদ-দিরাসাত আল-ইসলামিয়াহ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী ১৯৮৮ সালে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শরী‘আহ অনুষদে ভর্তি হন এবং অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে সেখান থেকে ব্যাচেলর, মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনকারী প্রথম বাংলাদেশী।
তাইবাহ একাডেমি