মানুষ মাত্রই রিযিক্ব নিয়ে চিন্তিত। রিযিক্বের চিন্তা মানুষকে এতটাই বিবেকহীন করে দেয় যে, হালাল-হারাম বিবেচনা করার মতো
ফুরসতটুকুও সে পায় না। বৈধ-অবৈধ যেভাবেই হোক না কেন, অধিক থেকে অধিক উপার্জনের চেষ্টায় থাকে মুখ্য। আর এটাই ভোগবাদী
দুনিয়ার সবচেয়ে নির্মম বাস্তবতা। যেখানে রিযিক্বের ক্ষেত্রে ভাগ্যের কথা বলা সেকেলে। যেখানে হালাল-হারামের বাছ-বিচার করা পাগলামির নামান্তর। রিযিক্বের
বরকতের উপলব্ধি যেখানে গৌণ। ‘দুনিয়াটা মস্ত বড়! ফূর্তি করো!’ এই বাক্যই যে জীবনের মূলমন্ত্র। এই বইয়ে আপনি দেখতে পাবেন বস্তুবাদী
দুনিয়ার মূল্যহীন ও ধোঁকায় পরিপূর্ণ নিষ্ঠুর চেহারা। দেখবেন রিযিক্ব বৃদ্ধির সাথে আধ্যাত্মিকতার কী গভীর সম্পর্ক! অনুভব করবেন
বরকতের বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা। ধন-সম্পদের বিপরীতে খঁুজে পাবেন মানসিক শান্তির মূল্য। রিযিক্ব নিয়ে চিন্তিত প্রতিটি মানুষের চিন্তার উপশম, ক্ষুধুর খোরক ও রোগের আরোগ্য রয়েছে বইটিতে।
আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক
আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাযযাক জন্ম গাইবান্ধায়। বেড়ে উঠা রাজশাহীতে। পিতা আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ, মাতা উম্মে মারিয়াম রাযিয়া। উভয়েই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের হাতেই লেখকের পড়াশোনার হাতেখড়ি। কুরআন ও হাদীছের উচ্চতর জ্ঞান অর্জন করেছেন দারুল উলূম দেওবান্দ, ভারত ও মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, সউদী আরব থেকে। কুরআন মাজীদ হিফয সম্পন্ন করেছেন গিলেটবাজার মাদরাসা বানারস থেকে। তার অন্যতম শিক্ষকগণ হচ্ছেন মাওলানা বদিউজ্জামান (রহ.), শায়খ আব্দুল খালেক সালাফী, মুফতী সাঈদ আহমাদ পালানপুরী, মাওলানা নিয়ামাতুল্লাহ আ'যমী, মুফতী হাবীবুর রহমান আ'যমী, শায়খ আওয়াদ আর-রুওয়াইছী, শায়খ আয়মান আর-রুহাইলী, শায়খ আনীস ত্বাহের, শায়খ আব্দুল বারী বিন হাম্মাদ আল-আনছারী, শায়খ মুহাম্মাদ বিন হাদী আল-মাদখালী প্রমুখ। হাদীছ নিয়ে গবেষণা ও লেখালেখি করতে ভালবাসেন। গবেষণার পাশাপাশি দেশে সমাজ সংস্কার ও সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদীছ ডিপার্টমেন্টের উলূমুল হাদীছ বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত।
তুবা পাবলিকেশন