বইটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ,যেমনটি লেখক এর নাম দিয়েছেন এবং আলেমগণ বইটি অধ্যয়ন করার নসিহত করেছেন। কেউ যদি বলে: হ্যাঁ,জনসাধারণের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ,কিন্তু আমি তো একজন তুলিবুল ইলম,আমার মর্যাদা সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক উঁচুতে !!! উত্তর: আমরা তাকে এই পুস্তকের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব যদি সে উত্তর দিতে না পারে,তাহলে সাধারণ মানুষই তার চেয়ে উত্তম বিবেচিত হবে। ত্বলিবুল ইলমের জন্য বিনয়ী হওয়া বাঞ্চনীয়। ইলম ও আলেমদের ওপর নিজের বড়ত্ব প্রকাশ করা তার জন্য সমীচিন নয়। আর রব্বানী (আল্লাহওয়ালা) আলেমদের পথ অনুসরণ করবে। সহীহুল বুখারীতে এসেছে,মুজাহিদ (১) বলেন: লজ্জাবোধকারী ও অহংকারকারী ব্যক্তি ইলম অর্জন করতে পারে না। গ্রন্থটিতে আলোচিত বিষয়সমূহ নিম্নরুপ: ১. কুরআনুল কারীম পাঠ করা,মুখস্থ করা,তা নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা এবং তদানুযায়ী আমল করার ক্ষেত্রে সালফে সালেহীন ও তাঁদের পরবর্তী অনুসারীদের পন্থা অনুকরণ করা। ২. ইসলাম,ঈমান,ইহসান,তাওহীদ ও শিরকের প্রকারসমূহের বিবরণ। ৩. সলাতের বিবরণ। ৪. অযুর বিবরণ। ৫. শারয়ী চরিত্রে চরিত্রবান হওয়া এবং ইসলামী শিষ্টাচারে শিষ্ট হওয়া। ৬. শিরক ও পাপ হতে সতর্ক করা। ৭. মৃত ব্যক্তির কাফন,জানাযার সলাত ও দাফন করা।
শাইখ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ)
শাইখ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন অবিসংবাদিত ইসলামি স্কলার, সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিভাবক। তিনি তাঁর সুদীর্ঘ জীবনে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর ভিত্তিতে ইসলামি শিক্ষার প্রচার, শরিয়াহর সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান এবং বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মাহর নানাবিধ জটিল সমস্যার সমাধানে অবিচল ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাঁর প্রখর মেধা, অসামান্য স্মৃতিশক্তি এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ইসলামি ইলমের বিভিন্ন শাখায় যে বিশাল অবদান রেখে গেছেন, তা তাঁকে মুসলিম বিশ্বে একটি নির্ভরযোগ্য ও শ্রদ্ধার প্রতীকে পরিণত করেছে। তাঁর অমায়িক ব্যবহার, গভীর তাকওয়া এবং সত্যের পথে আপসহীন থাকার আদর্শ আজও তাঁর রচিত অসংখ্য গ্রন্থ ও ফতোয়ার মাধ্যমে জ্ঞানপিপাসুদের জন্য পাথেয় হয়ে আছে।
শাইখ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ইসলামি আইনজ্ঞ, সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আলেম। তিনি তাঁর জীবনব্যাপী কুরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ প্রচার, ইসলামি শিক্ষার প্রসার এবং ফতোয়া প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহর পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। জ্ঞানপিপাসু ও আমলপ্রিয় এই মণীষী তাঁর বিনয়, ধৈর্য এবং অনড় নীতিমালার জন্য মুসলিম বিশ্বে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র, যা তাঁকে সমসাময়িক ইসলামি চিন্তাবিদদের মধ্যে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ড. কাওসার এরশাদ মুহাম্মাদ
ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী
২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করা ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী বর্তমানে ইসলামি জ্ঞানচর্চা, গবেষণা এবং নির্ভরযোগ্য প্রকাশনার জগতে একটি আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে, যার নেপথ্যে রয়েছে ২০১২ সাল থেকে একদল নিষ্ঠাবান দ্বীনপ্রেমী ব্যক্তির নিরলস ত্যাগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা। প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আব্দুল ওয়াহীদ বিন ইউনুস-এর সুদক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত কুরআন, হাদীস, সীরাত, আকীদা এবং ইসলামি জীবনদর্শনের ওপর ভিত্তি করে প্রামাণ্য গ্রন্থ প্রকাশ ও সংরক্ষণে নিয়োজিত। আমাদের রয়েছে স্বতন্ত্র গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগ, যেখানে প্রাচীন ও আধুনিক জ্ঞানতাত্ত্বিক আলোচনার সমন্বয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে তথ্য ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি আমাদের সমৃদ্ধ বিক্রয় বিভাগে সালাফি মানহাজভিত্তিক সহীহ আকীদা-নির্ভর গ্রন্থাবলি এবং কওমী মাদরাসার সিলেবাসভুক্ত মূল আরবি ইসলামি কিতাবসমূহের এক বিশাল ও নির্ভরযোগ্য সংগ্রহ রয়েছে, যা পাঠকদের জ্ঞানের পিপাসা মেটাতে এবং জীবনকে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আলোকিত করতে নিরন্তর সহায়তা করে যাচ্ছে। বর্তমানে ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী এর ৩ টি অফলাইন শাখা রয়েছে যার প্রধান শাখা রাজশাহীর প্রানকেন্দ্র রানীবাজার ও ২য় শাখা সাহেববাজারে অবস্থিত ও ৩য় শাখা রাজধানী ঢাকা সদরের বইয়ের রাজধানী বাংলাবাজারে অবস্থিত।