এ গুরুত্বপূর্ণ পুস্তকে সম্মানিত লেখক আহলেহাদীছ জামা‘আতের উপর আরোপিত অভিযোগ সমূহের জবাব সাবলীলভাবে ভাষায় চমকপ্রদভাবে প্রদান করেছেন। যুগে যুগে হকপন্থীদের উপর বাতিলপন্থীদের পক্ষ থেকে মিথ্যাচার করা হয়ে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে তারা আহলেহাদীছদের দাওয়াতী কার্যক্রমকে বাঁধাগ্রস্ত করতে সদা তৎপর। কিন্তু আহলেহাদীছ ওলামায়ে কেরামও দমবার পাত্র নন। তাঁরাও তাঁদের বক্তব্য ও লেখনীর মাধ্যমে বাতিলের প্রাসাদ ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়ে আসছেন। অত্র পুস্তকটি যার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
অত্র পুস্তকে মাননীয় লেখক মোট ১০টি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগের জবাব দিয়েছেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন সংক্ষিপ্ত ও সারগর্ভ পুস্তকের কোন বিকল্প নেই। তাক্বলীদী গোঁড়ামিতে আকণ্ঠ নিমজ্জিত সমাজের কিছু ব্যক্তি অনবরত সাধারণ মানুষের কর্ণকুহরে যে বিষবাক্য ঢেলে যাচ্ছে তাতে সমাজে আহলেহাদীছ সম্পর্কে জনমনে প্রায়শই নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয়। ফলশ্রুতিতে লেখককে এ বিষয়ে কলম ধরতে বাধ্য হ’তে হয়েছে। লেখকের পর্যালোচনা এতটাই সহজবোধ্য ও সুখপাঠ্য হয়েছে যে, সাধারণ মানুষও এত্থেকে উপকৃত হ’তে সক্ষম হবেন ইনশাআল্লাহ।
হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ কর্তৃক পরিচালিত পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক গবেষণা ও প্রকাশনা সংস্থা। নির্ভেজাল তাওহীদ ও ছহীহ সুন্নাহ্র আলোকে সমাজকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯২ সালে সংস্থাটির পথচলা শুরু হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব। সংস্থাটির অধীনে নিয়মিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বইসমূহ প্রকাশিত হয়। এর অধীনে হাদীছ ফাউণ্ডেশন শিক্ষা বোর্ড, দারুল ইফতা, মাসিক আত-তাহরীক পত্রিকা, আত-তাহরীক অনলাইন টিভি, বিশিষ্ট আলেমদের অডিও-ভিডিও ইত্যাদি নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন দাওয়াতী লিফলেট, দেওয়ালপত্র, প্রচারপত্র ইত্যাদি নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়।