বইয়ের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি।
শাইখ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ)
শাইখ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন অবিসংবাদিত ইসলামি স্কলার, সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিভাবক। তিনি তাঁর সুদীর্ঘ জীবনে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর ভিত্তিতে ইসলামি শিক্ষার প্রচার, শরিয়াহর সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান এবং বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মাহর নানাবিধ জটিল সমস্যার সমাধানে অবিচল ভূমিকা পালন করেছেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও তিনি তাঁর প্রখর মেধা, অসামান্য স্মৃতিশক্তি এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ইসলামি ইলমের বিভিন্ন শাখায় যে বিশাল অবদান রেখে গেছেন, তা তাঁকে মুসলিম বিশ্বে একটি নির্ভরযোগ্য ও শ্রদ্ধার প্রতীকে পরিণত করেছে। তাঁর অমায়িক ব্যবহার, গভীর তাকওয়া এবং সত্যের পথে আপসহীন থাকার আদর্শ আজও তাঁর রচিত অসংখ্য গ্রন্থ ও ফতোয়ার মাধ্যমে জ্ঞানপিপাসুদের জন্য পাথেয় হয়ে আছে।
শাইখ আব্দুল আযীয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (রহিমাহুল্লাহ) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত ইসলামি আইনজ্ঞ, সৌদি আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আলেম। তিনি তাঁর জীবনব্যাপী কুরআন ও সুন্নাহর বিশুদ্ধ প্রচার, ইসলামি শিক্ষার প্রসার এবং ফতোয়া প্রদানের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহর পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। জ্ঞানপিপাসু ও আমলপ্রিয় এই মণীষী তাঁর বিনয়, ধৈর্য এবং অনড় নীতিমালার জন্য মুসলিম বিশ্বে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র, যা তাঁকে সমসাময়িক ইসলামি চিন্তাবিদদের মধ্যে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
হাদীস ফাউণ্ডেশন বাংলাদেশ
হাদীছ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আহলেহাদীছ আন্দোলন বাংলাদেশ কর্তৃক পরিচালিত পবিত্র কুরআন ও ছহীহ হাদীছ ভিত্তিক গবেষণা ও প্রকাশনা সংস্থা। নির্ভেজাল তাওহীদ ও ছহীহ সুন্নাহ্র আলোকে সমাজকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯২ সালে সংস্থাটির পথচলা শুরু হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহ আল-গালিব। সংস্থাটির অধীনে নিয়মিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বইসমূহ প্রকাশিত হয়। এর অধীনে হাদীছ ফাউণ্ডেশন শিক্ষা বোর্ড, দারুল ইফতা, মাসিক আত-তাহরীক পত্রিকা, আত-তাহরীক অনলাইন টিভি, বিশিষ্ট আলেমদের অডিও-ভিডিও ইত্যাদি নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়। এছাড়া বিভিন্ন দাওয়াতী লিফলেট, দেওয়ালপত্র, প্রচারপত্র ইত্যাদি নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হয়।