ইতিহাস কেবল ধূসর অতীতের সাল-তারিখ, যুদ্ধ-বিগ্রহ কিংবা প্রাণহীন বর্ণনার নাম নয়; ইতিহাস হলো যুগান্তরের জীবন্ত আয়না। অতীত মানুষের হাসি-কান্না, উত্থান-পতন, সততা আর বিশ্বাসঘাতকতার যে বাস্তব চিত্র ইতিহাসের পাতায় লুকিয়ে থাকে, তা যেকোনো রূপকথার চেয়েও রোমাঞ্চকর। আর সেই ইতিহাস যখন গল্পের তুলিতে রঙিন হয়ে আমাদের সামনে আসে, তখন তা হয়ে ওঠে আরও আকর্ষণীয়, আরও হৃদয়গ্রাহী।
বিশ্বনন্দিত আরবি কথাশিল্পী, প্রখ্যাত স্কলার ও শাইখ আলী তানতাওয়ী আল-মিসরী ✍ -এর অসামান্য সৃষ্টি “হিকায়াত মিনাত-তারিখ" এমনই এক কালজয়ী গ্রন্থ। এই বইটিতে তিনি ইসলামের সোনালি ইতিহাসের পাতা থেকে এমন সব বাস্তব ঘটনা তুলে এনেছেন, যা পড়লে মনে হবে বুঝি কোনো নিপুণ জাদুকর গল্পের ছলে আমাদের অতীত ভ্রমণে নিয়ে গেছেন। এখানে শুষ্ক ইতিহাস পেয়েছে সাহিত্যের সুমিষ্ট রস।
শাইখ আলী তানতাভী আল-মিশরী
Maksud
আবু লাবীবা মুহাম্মাদ মাকছুদ যিনি মাকছুদুর রহমান নামে বেশি পরিচিত। লেখেন, পড়েন এবং বলেন। তাকে চিনতে হলে তার বই যেমন পড়তে হবে, শুনতে হবে তার আলোচনা। বর্তমানে পাঠদান, মসজিদে জুমুআর খুৎবা এবং সেমিনার ও জলসায় জ্ঞানগর্ভ আলোচনার পাশাপাশি তিনি সমানতালে তাঁর সাহিত্যচর্চা ও লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন।
নব্বইয়ের দশকের এই তরুণের জন্ম রাজশাহীর মোহনপুরে সেখানেই গোছা নামক গ্রামে বেড়ে উঠা তবে কৈশোর থেকে অদ্যাবধি বসবাস করেন রাজশাহী শহরে। পড়াশোনা করেছেন প্রথমে মক্তব পরে কওমী ও প্রাইমারি ধারায় একই সাথে এবং প্রাথমিক শেষে আলিয়া মাদরাসায় (আত্রাই আলিম মাদরাসা) ও পরে রাজশাহী সিটি কলেজে ইন্টারমেডিয়েট পড়েন । আনুষ্ঠানিক অধ্যয়নের পাঠ সমাপ্ত করেছেন ‘রাজশাহী কলেজ গণিত বিভাগ' থেকে। পরে তিনি কওমী ধারার দাওরা হাদীস জামাত সফলতার সাথে সমাপ্ত করেন।
তার মূল আগ্রহের বিষয় শিক্ষাদান ও ভ্রমণকাহিনি। প্রায়ই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখেন জীবনগঠনমূলক প্রবন্ধ-নিবন্ধ ও আধুনিক কালের ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে। সেখানেও থাকে সাহিত্য রসের ছোঁয়া। ইতোমধ্যে রচনা করেছেন অনেকগুলো পাঠকপ্রিয় বই। তার মূল শক্তি- কঠিন বিষয়কে সহজবোধ্য ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ছয়টি তবে প্রবন্ধ-নিবন্ধের সংখ্যা অসংখ্য। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- গণিতের জন্য ‘ম্যাথ টিউটর', ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস নাকি বিশ্ব বেহায়া দিবস', ‘ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা দিবস ও বর্ষবরণ : উৎসব নাকি বেহায়াপনা?’ ‘ওহে যুবক', ‘দ্য বেইসিস অব পিস', ‘গল্পের তুলিতে ইতিহাস’।
ইতিহাস ও ইলমের প্রতি দায় থেকে তথ্য ও তত্ত্বের সমন্বয়ে লিখেছেন- ‘দ্য বেইসিস অব পিস : নিরাপদ দেশ ও জাতির স্বপ্ন' এবং ‘গল্পের তুলিতে ইতিহাস’ বইটি। প্রকাশের অপেক্ষায় আছে আরও একাধিক বই।
Maksud
আবু লাবীবা মুহাম্মাদ মাকছুদ যিনি মাকছুদুর রহমান নামে বেশি পরিচিত। লেখেন, পড়েন এবং বলেন। তাকে চিনতে হলে তার বই যেমন পড়তে হবে, শুনতে হবে তার আলোচনা। বর্তমানে পাঠদান, মসজিদে জুমুআর খুৎবা এবং সেমিনার ও জলসায় জ্ঞানগর্ভ আলোচনার পাশাপাশি তিনি সমানতালে তাঁর সাহিত্যচর্চা ও লেখালেখি চালিয়ে যাচ্ছেন।
নব্বইয়ের দশকের এই তরুণের জন্ম রাজশাহীর মোহনপুরে সেখানেই গোছা নামক গ্রামে বেড়ে উঠা তবে কৈশোর থেকে অদ্যাবধি বসবাস করেন রাজশাহী শহরে। পড়াশোনা করেছেন প্রথমে মক্তব পরে কওমী ও প্রাইমারি ধারায় একই সাথে এবং প্রাথমিক শেষে আলিয়া মাদরাসায় (আত্রাই আলিম মাদরাসা) ও পরে রাজশাহী সিটি কলেজে ইন্টারমেডিয়েট পড়েন । আনুষ্ঠানিক অধ্যয়নের পাঠ সমাপ্ত করেছেন ‘রাজশাহী কলেজ গণিত বিভাগ' থেকে। পরে তিনি কওমী ধারার দাওরা হাদীস জামাত সফলতার সাথে সমাপ্ত করেন।
তার মূল আগ্রহের বিষয় শিক্ষাদান ও ভ্রমণকাহিনি। প্রায়ই বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় লেখেন জীবনগঠনমূলক প্রবন্ধ-নিবন্ধ ও আধুনিক কালের ত্রুটি-বিচ্যুতি নিয়ে। সেখানেও থাকে সাহিত্য রসের ছোঁয়া। ইতোমধ্যে রচনা করেছেন অনেকগুলো পাঠকপ্রিয় বই। তার মূল শক্তি- কঠিন বিষয়কে সহজবোধ্য ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ছয়টি তবে প্রবন্ধ-নিবন্ধের সংখ্যা অসংখ্য। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- গণিতের জন্য ‘ম্যাথ টিউটর', ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস নাকি বিশ্ব বেহায়া দিবস', ‘ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা দিবস ও বর্ষবরণ : উৎসব নাকি বেহায়াপনা?’ ‘ওহে যুবক', ‘দ্য বেইসিস অব পিস', ‘গল্পের তুলিতে ইতিহাস’।
ইতিহাস ও ইলমের প্রতি দায় থেকে তথ্য ও তত্ত্বের সমন্বয়ে লিখেছেন- ‘দ্য বেইসিস অব পিস : নিরাপদ দেশ ও জাতির স্বপ্ন' এবং ‘গল্পের তুলিতে ইতিহাস’ বইটি। প্রকাশের অপেক্ষায় আছে আরও একাধিক বই।