20% ছাড়
দ্বীনের পরিপূর্ণতা: ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা। শরীয়তের সকল বিধিবিধান ও আমলের জন্য সহীহ (বিশুদ্ধ) হাদীস পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যমান রয়েছে। তাই অকাট্য প্রমাণের উপস্থিতিতে দুর্বল বর্ণনার ওপর নির্ভর করার প্রয়োজন নেই।
সন্দেহযুক্ত আমল বর্জন: যঈফ হাদীস দ্বারা সন্দেহ বা অনুমানের সৃষ্টি হয়। ইসলামী শরীয়তে সন্দেহ বা ধারণার ওপর ভিত্তি করে আমল করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে, কারণ দ্বীনের ভিত্তি হলো অকাট্য দলিল বা প্রমাণ।
নবী (সা.)-এর নামে মিথ্যারোপের আশঙ্কা: যে কথা বা কাজ রাসূলুল্লাহ (সা.) থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত নয়, তা তাঁর দিকে সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত মারাত্মক অপরাধ। যঈফ বা জাল হাদীসের ওপর আমল করার মাধ্যমে অজান্তেই রাসূল (সা.)-এর নামে মিথ্যা প্রচারের ঝুঁকি থেকে যায়।
বিদআতের প্রসার রোধ: সমাজে প্রচলিত অনেক বিদআত (দ্বীনের নামে নতুন আবিষ্কৃত প্রথা) মূলত যঈফ ও জাল হাদীসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যঈফ হাদীস বর্জন করলে সমাজ বিদআতমুক্ত থাকে।
সহীহ সুন্নাহর প্রতি অবহেলা: মানুষ যখন ফযীলতের আশায় যঈফ হাদীসের ওপর আমল করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, তখন দেখা যায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রমাণিত সহীহ সুন্নাহগুলো তাদের জীবন থেকে অবহেলিত হয়ে পড়ে।
লেখকের বিস্তারিত পরিচিতি পাওয়া যায়নি।
প্রকাশনীর বিস্তারিত পরিচিতি পাওয়া যায়নি।