একটু পড়ে দেখুন
সালাত পরিত্যাগকারী বিধান 20% ছাড়

সালাত পরিত্যাগকারী বিধান

বিষয়:
পৃষ্ঠা সংখ্যা: 48 পৃষ্ঠা
ভাষা: আরবী-বাংলা
বাইন্ডিং: পেপারব্যাক
দেশ: বাংলাদেশ
৳ 32 ৳ 40 20% ছাড়
স্টকে আছে
শেয়ার করুন:
সম্পর্কিত বই
সব দেখুন
কিতাবুস সালাত
কিতাবুস সালাত
শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
৳ 300 ৳ 180

ছালাত ত্যাগকারীর ব্যাপারে ছাহাবায়ে কেরাম ও তাবেঈগণের অবস্থান

ইসলামে ছালাত পরিত্যাগকারীর কোন অবস্থাননেই: যে সকল আমলের মাধ্যমে মানুষের ঈমান টিকে থাকে তার মধ্যে সর্বাধিক বড় মাধ্যম হ’ল ছালাত। কেউ ছালাত ত্যাগ করলে ইসলামে কোন অংশ থাকবে না বলে ছাহাবায়ে কেরাম সতর্ক করে দিয়েছেন। মুমূর্ষু অবস্থায় থাকাকালীন ছালাতের কথা বলা হ’লে ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) বলেন,إِنَّهُ لَا حَظَّ لِأَحَدٍ فِي الْإِسْلَامِ لِمَنْ أَضَاعَ الصَّلَاةَ، فَصَلَّى وَجُرْحُهُ يَثْعَبُ دَمًا، ‘নিশ্চয়ই ঐ ব্যক্তির ইসলামে কোন অবস্থান নেই, যে ছালাত বিনষ্ট করে। অতঃপর ওমর (রাঃ) ছালাত পড়লেন অথচ তার জখম হ’তে তখনও রক্ত প্রবাহিত হচ্ছিল’।[1]

ছালাত ত্যাগকারী ঈমানহীন মানুষ : ছালাতহীন মানুষ ঈমানহীন মানুষের মত। কেউ ছালাত পরিত্যাগ করলে তার ঈমান থাকবে না। এজন্য ছালাত ত্যাগ করা যাবে না। যেমন আছারে এসেছে,وَعَنْ أبِيْ الدَّرْداَءِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قال: لاَ إيْماَنَ لِمَنْ لاَ صَلَاةَ لَهُ وَلَا صَلَاةَ لِمَنْ لَا وُضُوْءَ لَهُ، আবু দ্দারদা (রাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি ছালাত পড়ে না তার ঈমান নেই। আর যে ব্যক্তি ওযূ করেনি তার ছালাত হবে না’।[2] عَن ابنِ مَسْعُوْدٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُ قَالَ مَن تَرَكَ الصَّلاَةَ فَلاَ دِينَ لَه، ইবনে মাসউদ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘যে ব্যক্তি ছালাত ত্যাগ করে, তার দ্বীনই নেই’।[3]

মুছ‘আব বিন সা‘দ থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি আমার পিতাকে বললাম, হে পিতা! আল্লাহ বলেন,الَّذِينَ هُمْ عَنْ صَلَاتِهِمْ سَاهُونَ ‘যারা তাদের ছালাত থেকে উদাসীন’ (মা‘ঊন ১০৭/৫)। এই আয়াত সম্পর্কে আপনি কি বলেন? আমাদের মধ্যে কে এমন আছে যার ছালাতে উদাসীনতা আসে না? কে এমন আছে ছালাত পড়তে গিয়ে যার মনে বিভিন্ন কথা স্মরণ হয় না? তিনি বললেন, لَيْسَ ذَلِكَ إِنَّمَا هُوَ إِضَاعَةُ الْوَقْتِ يَلْهُو حَتَّى يَضِيعَ الْوَقْتُ বিষয়টা এরকম নয়। এ দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে ছালাত নষ্ট করা। যারা আজে-বাজে (দুনিয়াবী) কাজে লিপ্ত থেকে ছালাতের সময়কে নষ্ট করে দিবে’।[4]

জাবের বিন আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞেস করা হ’ল-مَا كَانَ يُفَرِّقُ بَيْنَ الْكُفْرِ وَالْإِيْمَانِ عِنْدَكُمْ مِنَ الْأَعْمَالِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ؟ قَالَ: الصَّلَاةُ، ‘রাসূল (ছাঃ)-এর আমলে আমলসমূহের মধ্যে কোন আমলটি আপনাদের নিকট ঈমান এবং কুফরের মধ্যে পার্থক্যকারী হিসাবে বিবেচিত হ’ত? তিনি বললেন, ছালাত’।[5]

عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، قَالَ: دَخَلْتُ مَعَ حُذَيْفَةَ الْمَسْجِدَ فَرَأَى رَجُلًا يُصَلِّي لَا يُتِمُّ رُكُوْعَهُ وَلَا سُجُوْدَهُ فَقَالَ لَهُ حُذَيْفَةُ: مُنْذُ كَمْ صَلَّيْتَ؟ قَالَ: مُنْ أَرْبَعِينَ سَنَةً، فَقَالَ لَهُ حُذَيْفَةُ: مَا صَلَّيْتَ وَلَوْ مُتَّ مُتَّ عَلَى غَيْرِ الْفِطْرَةِ الَّتِي فَطَرَ اللهُ عَلَيْهَا مُحَمَّدًا صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ،

যায়েদ বিন ওয়াহাব হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘একদা আমি হুযায়ফা (রাঃ)-এর সাথে মসজিদে প্রবেশ করলাম। তিনি এক ব্যক্তিকে দেখলেন, সে তার রুকূ‘-সিজদা পূর্ণ করছে না। সে ছালাত শেষ করলে তিনি তাকে ডেকে বললেন, তুমি কতদিন থেকে এভাবে ছালাত আদায় কর? লোকটি বলল, চল্লিশ বছর। হুযায়ফা (রাঃ) তাকে বললেন, তুমি ছালাত আদায় করনি। শাক্বীক্ব বলেন, আমার মনে হয় হুযায়ফা এ কথাও বলেছেন, যদি তুমি এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ কর, তাহ’লে নবী করীম (ছাঃ)-কে যে প্রকৃতির উপর আল্লাহ তা‘আলা সৃষ্টি করেছেন, তুমি তার বাইরে মৃত্যুবরণ করবে’।[6]

অনুরূপ বর্ণনা রাসূল (ছাঃ) থেকেও এসেছে। আবু মূসা আশ‘আরী (রাঃ) বলেন,أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَأَى رَجُلًا لَا يُتِمَّ رُكُوعَهُ يَنْقُرُ فِيْ سُجُودِهِ وَهُوَ يُصَلِّي، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَوْ مَاتَ هَذَا عَلَى حَالِهِ هَذِهِ مَاتَ عَلَى غَيْرِ مِلَّةِ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَثَلُ الَّذِي لَا يُتِمُّ رُكُوعَهُ ويَنْقُرُ فِي سُجُودِهِ، مَثَلُ الْجَائِعِ يَأْكُلُ التَّمْرَةَ وَالتَّمْرَتَانِ لَا يُغْنِيَانِ عَنْهُ شَيْئًا- ‘একদা আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) এক ব্যক্তিকে দেখলেন, সে তার ছালাতে পূর্ণভাবে রুকূ‘ করছে না এবং ঠকঠক করে (তাড়াতাড়ি) সিজদা করছে। এ দেখে তিনি বললেন, এ ব্যক্তি যদি এই অবস্থায় মারা যায়, তাহ’লে তার মরণ মুহাম্মাদী মিল্লাতের উপর হবে না। অতঃপর তিনি বললেন, যে ব্যক্তি তার রুকূ‘ সম্পূর্ণরূপে করে না এবং ঠকাঠক (তাড়াহুড়া করে) সিজদা করে তার উদাহরণ সেই ক্ষুধার্ত ব্যক্তির মত, যে একটি অথবা দু’টি খেজুর তো খায় অথচ তা তাকে মোটেই পরিতৃপ্ত করে না’।[7] বিলাল (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি একদা দেখলেন একজন লোক রুকূ‘-সিজদা পরিপূর্ণরূপে করছে না। তখন তিনি বললেন, এ লোক (এ অবস্থায়) মৃত্যুবরণ করলে মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর ধর্মের বাইরে মৃত্যুবরণ করবে।[8] ছালাত আদায় করার পরেও যখন ত্রুটি হওয়ার কারণে মিল্লাতে মুহাম্মাদীর উপর টিকে থাকা যাচ্ছে না সেখানে ছালাত পরিত্যাগকারীর অবস্থা কতটা ভয়াবহ হবে তা সহজে বুঝা যায়।

ইসহাক ইবনু রাহওয়াইহ বলেন,قَدْ صَحَّ عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّ تَارِكَ الصَّلَاةِ كَافِرٌ، وَكَذَلِكَ كَانَ رَأْيُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ لَدُنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَى يَوْمِنَا هَذَا أَنَّ تَارِكَ الصَّلَاةِ عَمْدًا مِنْ غَيْرِ عُذْرٍ حَتَّى يَذْهَبَ وَقْتُهَا كَافِرٌ، ‘রাসুল (ছাঃ) থেকে ছহীহ সূত্রে বর্ণিত, ছালাত পরিত্যাগকারী কাফের। অনুরূপভাবে নবী করীম (ছাঃ) থেকে আমাদের সময় পর্যন্ত বিদ্বানগণের অভিমত হ’ল, বিনা কারণে ইচ্ছাকৃত -ভাবে ওয়াক্তের শেষ সীমাতেও ছালাত বর্জনকারী কাফের।[9] ইবনু হাযম (রহঃ) বলেন,وَقَدْ جَاءَ عَنْ عُمَرَ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَمُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَغَيْرِهِمْ مِنْ الصَّحَابَةِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْ أَنَّ مَنْ تَرَكَ صَلَاةَ فَرْضٍ وَاحِدَةٍ مُتَعَمِّدًا حَتَّى يَخْرُجَ وَقْتُهَا فَهُوَ كَافِرٌ مُرْتَدٌّ. ‘ছাহাবীদের মধ্যে ওমর, আব্দুর রহমান ইবনু আওফ, মু‘আয বিন জাবাল ও আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা এসেছে যে, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃত একটি ফরয ছালাত পরিত্যাগ করবে এমতাবস্থায় যে, ওয়াক্ত অতিবাহিত হয়ে গেল তাহ’লে সে কাফের মুরতাদ’।[10]

হাসান বছরী (রহঃ) বলেন,بَلَغَنِي أَنَّ أَصْحَابَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانُوا يَقُولُونَ: بَيْنَ الْعَبْدِ وَبَيْنَ أَنْ يُشْرِكَ فَيَكْفُرَ أَنْ يَدَعَ الصَّلَاةَ مِنْ غَيْرِ عُذْرٍ ‘আমার নিকট এ মর্মে খবর পৌঁছেছে যে, রাসূল (ছাঃ)-এর ছাহাবীরা বলতেন, বান্দা এবং শিরককারীর মধ্যে পার্থক্য হ’ল এই যে, সে বিনা ওযরে ছালাত পরিত্যাগ করল’।[11]

সূরা মা‘আরিজ ২৩ আয়াতের তাফসীরে ইমাম কাতাদা (রহঃ) বলেন,ذُكِرَ لَنَا أَنَّ دَانْيَالَ نَعَتَ أُمَّةَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ: يُصَلُّونَ صَلَاةً لَوْ صَلَّاهَا قَوْمُ نُوحٍ مَا أُغْرِقُوا، وَعَادٌ مَا أُرْسِلَتْ عَلَيْهِمُ الرِّيحُ، وَثَمُودٌ مَا أَخَذَتْهُمُ الصَّيْحَةُ، فَعَلَيْكُمْ بِالصَّلَاةِ فَإِنَّهَا خُلُقٌ لِلْمُؤْمِنِينَ حَسَنٌ، ‘দানিয়াল (আঃ) উম্মতে মুহাম্মাদী (ছাঃ)-এর বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করে বলেন, তারা ছালাত আদায় করে। যদি নূহের সম্প্রদায় ছালাত আদায় করত তাহ’লে তারা ডুবে মরত না। আ‘দ সম্প্রদায় ছালাত আদায় করলে তাদের প্রতি ঝড়-তুফান পাঠিয়ে ধ্বংস করা হ’ত না। ছামূদ সম্প্রদায় ছালাত আদায় করলে তাদেরকে গর্জন-ভূমিকম্প পাকড়াও করত না। অতএব তোমাদের জন্য ছালাত আদায় করা আবশ্যক। কারণ এটি মুমিনদের জন্য সুন্দর চরিত্রের অংশ’।[12]

শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমিন রাহিমাহুল্লাহ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমিন (রাহিমাহুল্লাহ) ছিলেন সমকালীন ইসলামী বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলেম ও ফকীহ; তিনি ১৯২৫ সালে উনাইযাহ-তে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০০১ সালে জেদ্দাহ-তে ইন্তেকাল করেন। তিনি সৌদি আরবের উলামা বোর্ড-এর একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন এবং শাইখ আব্দুর রহমান আস-সা'দী ও শাইখ আব্দুল আজিজ ইবন বায (রাহিমাহুমাল্লাহ)-এর নিকট থেকে জ্ঞান অর্জন করেন। কুরআন, হাদীস, আকীদা ও ফিকহে তাঁর গভীর দখল ছিল এবং তিনি জটিল বিষয় সহজভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ ছিলেন; তাঁর রচিত *শারহুল মুমতি‘*সহ বহু কিতাব ও হাজারো ছাত্র আজও মুসলিম বিশ্বে তাঁর ইলম ও দাওয়াহকে জীবন্ত রেখেছে।

শাইখ মতিউর রহমান মাদানী
শাইখ মতিউর রহমান মাদানী

শাইখ মতিউর রহমান মাদানী ১৯৬৭ সালের ১০ জানুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় এক ধার্মিক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আব্দুল হাকীম ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ ও সমাজসেবী ব্যক্তি। শৈশব থেকেই তিনি ইসলামী শিক্ষার প্রতি গভীর আগ্রহী ছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষা শেষে আরবি ও ইসলামী জ্ঞান অর্জনের জন্য বিভিন্ন মাদরাসায় অধ্যয়ন করেন এবং পরবর্তীতে ইসলামী দাওয়াত ও গবেষণার ক্ষেত্রে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োজিত করেন। তিনি বাংলা, আরবি, উর্দু ও হিন্দি ভাষায় সমানভাবে দক্ষ, যা তাঁর দাওয়াতি কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক পরিসরে পৌঁছে দিয়েছে। সালাফি মানহাজ ও আহলুস সুন্নাহর আদর্শে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাসী শাইখ মাদানী দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ, ভারতসহ প্রবাসে ইসলামের সঠিক দাওয়াত প্রচার করে আসছেন। তাঁর অনুবাদ ও রচিত গ্রন্থের সংখ্যা বিশের অধিক, যার মধ্যে কোরআন ও হাদীসভিত্তিক বইগুলো পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এছাড়া তিনি ৬০০-রও বেশি বক্তৃতা, সিডি ও ভিডিওর মাধ্যমে ইসলামি শিক্ষা ও সচেতনতা ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর আলোচনার মূল বিষয়বস্তু তাওহীদ, আকীদাহ, ইবাদত, আখলাক, সমাজ সংস্কার ও দ্বীনের বিশুদ্ধ ধারণা প্রতিষ্ঠা। তিনি “আল-ইখলাছ” সাময়িকীর নিয়মিত লেখক ছিলেন এবং বর্তমানে ইউটিউব ও অন্যান্য অনলাইন মাধ্যমে ব্যাপকভাবে পরিচিত। যদিও কিছু ক্ষেত্রে তাঁর মতামতকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, তবুও তিনি একনিষ্ঠভাবে ইসলামের প্রকৃত বার্তা পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিবেদিত একজন প্রভাবশালী ইসলামী বক্তা ও চিন্তাবিদ হিসেবে সুপরিচিত।

ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী
ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

২০০৪ সালে যাত্রা শুরু করা ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী বর্তমানে ইসলামি জ্ঞানচর্চা, গবেষণা এবং নির্ভরযোগ্য প্রকাশনার জগতে একটি আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে, যার নেপথ্যে রয়েছে ২০১২ সাল থেকে একদল নিষ্ঠাবান দ্বীনপ্রেমী ব্যক্তির নিরলস ত্যাগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টা। প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আব্দুল ওয়াহীদ বিন ইউনুস-এর সুদক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত কুরআন, হাদীস, সীরাত, আকীদা এবং ইসলামি জীবনদর্শনের ওপর ভিত্তি করে প্রামাণ্য গ্রন্থ প্রকাশ ও সংরক্ষণে নিয়োজিত। আমাদের রয়েছে স্বতন্ত্র গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগ, যেখানে প্রাচীন ও আধুনিক জ্ঞানতাত্ত্বিক আলোচনার সমন্বয়ে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে তথ্য ও বিশ্লেষণ উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি আমাদের সমৃদ্ধ বিক্রয় বিভাগে সালাফি মানহাজভিত্তিক সহীহ আকীদা-নির্ভর গ্রন্থাবলি এবং কওমী মাদরাসার সিলেবাসভুক্ত মূল আরবি ইসলামি কিতাবসমূহের এক বিশাল ও নির্ভরযোগ্য সংগ্রহ রয়েছে, যা পাঠকদের জ্ঞানের পিপাসা মেটাতে এবং জীবনকে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আলোকিত করতে নিরন্তর সহায়তা করে যাচ্ছে। বর্তমানে ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী এর ৩ টি অফলাইন শাখা রয়েছে যার প্রধান শাখা রাজশাহীর প্রানকেন্দ্র রানীবাজার ও ২য় শাখা সাহেববাজারে অবস্থিত ও ৩য় শাখা রাজধানী ঢাকা সদরের বইয়ের রাজধানী বাংলাবাজারে অবস্থিত।

রিভিউ ও রেটিং

0.0
0টি রিভিউ
5
0
4
0
3
0
2
0
1
0
রিভিউ লিখতে লগইন করুন

এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউ দিন!

প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন করতে লগইন করুন

এখনো কোনো প্রশ্ন করা হয়নি। প্রথম প্রশ্ন করুন!

ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী কর্তৃক প্রকাশিত

এই প্রকাশনীর সব বই দেখুন
দ্বীন শিক্ষা প্যাকেজ 20%
ছাড়
দ্বীন শিক্ষা প্যাকেজ

ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 694 ৳ 555
মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ মৃধা সমগ্র: রচনা, অনুবাদ ও সংকলন 25%
ছাড়
মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ মৃধা সমগ্র: রচনা, অনুবাদ ও সংকলন

মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ মৃধা · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 2,350 ৳ 1,760
ড. যায়নুল আবেদীন বিন নুমান সমগ্র: রচনা, অনুবাদ ও সংকলন 25%
ছাড়
ড. যায়নুল আবেদীন বিন নুমান সমগ্র: রচনা, অনুবাদ ও সংকলন

ড. যায়নুল আবেদীন বিন নুমান মাদানী · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 1,342 ৳ 1,000
 নতুন ৭টি বইয়ের প্যাকেজ 30%
ছাড়
নতুন ৭টি বইয়ের প্যাকেজ

শায়খ আব্দুল হামীদ ফাইযী মাদানী · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 1,113 ৳ 779
নামাজের পরে পঠিতব্য জিকির এবং সকাল-সন্ধ্যার জিকির 20%
ছাড়
নামাজের পরে পঠিতব্য জিকির এবং সকাল-সন্ধ্যার জিকির

শাইখ সালিহ বিন আব্দুল্লাহ আল-উসাইমি · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 32 ৳ 26
আকিদা ওয়াসিতিয়্যা (মূল আরবী-বাংলা) 20%
ছাড়
আকিদা ওয়াসিতিয়্যা (মূল আরবী-বাংলা)

শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমীয়া রহিমাহুল্লাহ · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 100 ৳ 80
জাদু, বদনজর ও রুকইয়াহ 20%
ছাড়
জাদু, বদনজর ও রুকইয়াহ

শায়খ ড. আব্দুর রাযযাক বিন আব্দুল মুহসিন আল বদর · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 200 ৳ 160
শিরকের খণ্ডন (তাওহীদ-কৌমুদী) 20%
ছাড়
শিরকের খণ্ডন (তাওহীদ-কৌমুদী)

শায়খ আব্দুল হামীদ ফাইযী মাদানী · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 350 ৳ 280
ফিতনার নীতিমালা 20%
ছাড়
ফিতনার নীতিমালা

শায়খ আব্দুল হামীদ ফাইযী মাদানী · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 63 ৳ 50
ফিরকাহ্‌ নাজিয়াহ্‌ ও সাহায্যপ্রাপ্ত জামাআতের মতাদর্শ 20%
ছাড়
ফিরকাহ্‌ নাজিয়াহ্‌ ও সাহায্যপ্রাপ্ত জামাআতের মতাদর্শ

শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে জামীল যাইনু · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 160 ৳ 128
মুহাম্মাদী কায়দা ও ১৫১ টি দুয়া (২) 20%
ছাড়
মুহাম্মাদী কায়দা ও ১৫১ টি দুয়া (২)

ওয়াহীদিয়া গবেষণা বিভাগ · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 75 ৳ 60
সমাজে বহুল প্রচলিত ১০০ জাল হাদীস 20%
ছাড়
সমাজে বহুল প্রচলিত ১০০ জাল হাদীস

ড. মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন · ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী

৳ 250 ৳ 200
সাহায্য চ্যাট

আসসালামু আলাইকুম! আমি ওয়াহিদীয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরীর সহায়ক। আমি কীভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি?