6% ছাড়
মহান আল্লাহ মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁর ইবাদতের জন্য। স্রষ্টার প্রতি ভক্তিমিশ্রিত পরম আনুগত্য প্রকাশ এবং তাঁর নৈকট্য হাসিলের একমাত্র পথ হ’ল ইবাদত। ইবাদত প্রকাশ্যে হ’তে পারে আবার গোপনেও হ’তে পারে। তবে গোপন ইবাদতের পৃথক তাৎপর্য ও মাহাত্ম্য রয়েছে। গোপন আমলের মাধ্যমে আল্লাহ্র সাথে বান্দার অত্যন্ত সুনিবিড় সম্পর্ক তৈরী হয়। এই ইবাদত বান্দার ঈমানকে সুদৃঢ় করে, পাপ-পঙ্কিলতা থেকে তাকে পবিত্র রাখে এবং তনু-মন জুড়ে বয়ে আনে এক অমলিন প্রশান্তির ফোয়ারা।
গোপন ইবাদত মানুষকে রিয়া বা লৌকিকতার মহাব্যাধি থেকে মুক্ত রাখে। যখন কেউ একান্ত নির্জনে ইবাদত করে, তখন তার মনে মানুষের প্রশংসা পাওয়ার লোভ জাগে না; বরং সে একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির নিমিত্তে গভীর অভিনিবেশ সহকারে ইবাদতে নিমগ্ন হয়। এজন্য শয়তান রিয়া ও লৌকিকতার ওয়াসওয়াসা দিয়ে বান্দার ইবাদতকে কলুষিত করতে সদা তৎপরতা চালায়। সুতরাং লৌকিকতার বিষবাষ্প থেকে ইবাদতকে পবিত্র ও হেফাযত করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হ’ল গোপন ইবাদত।
যার আমলনামায় ইবাদতের পরিমাণ যত বেশী, সে তত বেশী আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভের পথে এগিয়ে থাকে। তাই আমাদের প্রত্যেকের জীবনে এমন কিছু গোপন আমল থাকা উচিত, যার ব্যাপারে পৃথিবীর কোন মানুষ জানবে না; জানবেন কেবল অন্তর্যামী আল্লাহ রাব্বুল আলামীন।
আপনি যদি গোপন ইবাদতে অভ্যস্ত হ’তে চান, গোপন আমল করার পদ্ধতি জানতে চান এবং নির্জনে রবের সান্নিধ্যে সময় কাটিয়ে পরম তৃপ্তিমুখর জীবন লাভ করতে চান- তবে বইটি হ’তে পারে আপনার প্রাত্যহিক জীবনের এক অনিবার্য সহচর। আমলে যিন্দেগীর এক নিভৃত সহযোগী।
লেখকের বিস্তারিত পরিচিতি পাওয়া যায়নি।