প্রচলিত শিক্ষা মানুষকে ভোগবাদী হতে উদ্বুদ্ধ করে। এ শিক্ষায় শিক্ষিত বেশিরভাগ মানুষ ন্যায়-অন্যায় এবং নৈতিক-অনৈতিকের সীমারেখা সংরক্ষণ করতে পারে না। ফলে জড়িয়ে যায় নানান পাপাচারে। অপরদিকে ইসলামের সুশীতল ছায়ায় বেড়ে ওঠা শিশুরা—পাপাচার থেকে যথাসম্ভব নিজেদের বাঁচিয়ে রাখে। ন্যায়-অন্যায় ও নৈতিক- অনৈতিকের সীমারেখা মেনে চলে।
লেখক মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এই ব্যাপারে বলেন,
‘সাহেব নিজের সন্তানদের লালন-পালন ও লেখাপড়া করাতে গিয়ে, সব স্তরেই সক্রিয় ভূমিকা পালনের চেষ্টা করেছি। বাংলা পড়াতে গিয়ে নিজের মনোমতো একটি ডায়েরি সাজিয়েছিলাম। বাংলা ব্যাকরণের যাঁতাকলে শিশুদের না পিষে, একটু অন্যভাবে বর্ণ, বর্ণের উচ্চারণ, কার, মাত্রা, শব্দ গঠন, যুক্তাক্ষর ইত্যাদি শেখানোর চেষ্টা করেছিলাম। আলহামদু লিল্লাহ! আশানুরূপ ফল পাই।
ওই ডায়েরির পাতাগুলো বই আকারে আনার চেষ্টা করেছি। শব্দ, বাক্য, ছড়া, লেখচিত্র, বর্ণনা, ঈমানি প্রশ্ন-উত্তর, শিশুদের হাদীস ইত্যাদি বিষয় বাংলা শিক্ষার মোড়কে আনার চেষ্টা করেছি। এতে শিশুরা ঈমানের প্রাথমিক ছবক শিখতে পারবে ও ইসলামি চেতনায় উদ্বুদ্ধ হবে ইন শা আল্লাহ।
আজকের শিশু—আগামীর প্রতিনিধি। তারাই ধারণ করবে সাহাবীওয়ালা আখলাক। অচিরেই আমরা দেখতে পাব, দুনিয়াতে পরিপূর্ণ দ্বীনি পরিবেশ, ইন শা আল্লাহ।’
আতফাল
আতফাল’ শুধু শিশুদের জন্য বই প্রকাশ করে না; আমরা বুনি এক একটি স্বপ্নের চারাগাছ। আমাদের প্রতিটি বই এমনভাবে তৈরি, যা শিশুদের কল্পনাশক্তিকে যেমন ডানা মেলতে সাহায্য করবে, তেমনি তাদের হৃদয়ে গেঁথে দেবে ইসলামের অপার সৌন্দর্যের বাণী। আমরা কেবল কাগজের পাতায় অক্ষর ছাপি না, বরং একটি নৈতিক ও দ্বীনি চেতনাসম্পন্ন প্রজন্ম গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করি। আমাদের লক্ষ্য—আপনার সন্তানের প্রথম পাঠ যেন হয় সত্য, সুন্দর ও শাশ্বত দ্বীনের আলোয়।