35% ছাড়
উপমহাদেশে খ্রিষ্টান মিশনারিদের দৌরাত্ম্য উনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছিল। ভারতবর্ষে তো তখন ইংরেজদের শাসন চলে। কার্ল পিফেন্ডারকে বলা হত ভারতে আসা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মিশনারী। সে প্রচুর মুসলমানকে খ্রিষ্টান ধর্মে দীক্ষিত করে। সে 'মিযান আল হক' নামে একটি প্রতারণামূলক বই লিখে কুযুক্তির আশ্রয় নিয়ে মুসলিমদেরকে বিভ্রান্ত করত এবং আলেমদের সাথে সর্বসম্মুখে বিতর্কের আসর বসাত। . ১৮৫৪ সালের এমনই এক বিতর্কে উসমান (রা) এর সরাসরি বংশধর আল্লামা রহমাতুল্লাহ কিরনবি তার মোকাবেলা করে তাক লাগিয়ে দেন। তিনি সমকালীন খ্রিস্টান ও ইউরোপিয়ান উৎস থেকেই দেখিয়ে দেন যে খ্রিষ্টবাদে কত ভুল আছে। এরই ফলশ্রুতিতে তিনি ১৮৬৪ সালে কালজয়ী 'ইযহারুল হক' গ্রন্থ রচনা করেন। . বইটি যেন খৃষ্টবাদের বিরুদ্ধে আরোপিত অভিযোগের এক বিশদ এনসাইক্লোপিডিয়া। এতে আরো রয়েছে তাবারি, ইবনে হাযম ও ইবনে তাইমিয়ার মত যুগশ্রেষ্ঠ ইসলামী মনীষীদের নানা উক্তির সমাহার। মিশনারীদের বিরুদ্ধে এই এক বইই এত দুর্দান্ত অস্ত্র হিসেবে কাজ করেছে যা ভাবলে অবাক হতে হয়। . শত বছর পরে এই একটি বই পড়েই বিখ্যাত দ্বাঈ আহমাদ দীদাত দাওয়াহর লাইনে আসেন। আর তার হাত ধরেই মুসলিমবিশ্ব পরবর্তীতে পায় ডা. জাকির নায়েককে। তাহলে চিন্তা করুন, এই এক বইয়ের উসিলায় কত লোকের ঈমান হেফাজত হল, কত লোক নওমুসলিম হল! লেখকের কবুলিয়ত এতেই বুঝা যায়। . বইটি মূল আরবি ভাষায় লেখা। অনূদিত হয়েছে ইংরেজি, উর্দু সহ নানা ভাষায়। উর্দু সংস্করণের ভূমিকা লিখেছেন আল্লামা তাকি উসমানি। (রিভিউটি একজন পাঠক কর্তৃক সংগৃহীত)
এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম রিভিউ দিন!