প্রাচীনকাল থেকে হারাম ও পবিত্র মাস হলো ‘মুহাররাম’। জাহিলী যুগে লোকেরা চারটি মাসে যুদ্ধবিগ্রহ থেকে বিরত থাকতো। আর সেগুলো হলো- যুলক্বা’দাহ, যুলহিজ্জাহ, মুহাররাম ও রজব। হজ্জ পালন শেষে মুহাররাম মাসে সবাই দেশে ফিরে যায়, তাই এ মাসকে হিজরী বর্ষের প্রথম মাস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। মুহাররাম মাসের সাথে বেশ কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা জড়িত আছে। এই মাসে রয়েছে কিছু সুন্নাহ ইবাদাত এবং কিছু সুন্নাহ বিরোধী আমল প্রচলিত আছে।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বছরের কিছু দিনকে বিশেষ মর্যাদায় ভূষিত করেছেন। আর বিশেষায়িত করেছেন বিভিন্ন ঘটনা ও ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মাধ্যমে। এমনি একটি দিবসের নাম আশূরা। মুহাররামের দশ তারিখ এই দিনটি। আল্লাহর নবী মূসা আলাইহিস সালাম ফির’আউন ও তার বাহিনীর ওপর বিজয় লাভ করেছিলো এই দিনে। তাই এই দিনটি শির্কের ওপর তাওহীদের বিজয়ের দিন, তাগুতের ওপর রিসালাতের পতাকাবাহীদের বিজয়ের সময় এবং মূসা আলাইহিস সালামের ঘটনা স্মরণে শুকরিয়া দিবস।
আবু মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
ইয়াহুদী সম্প্রদায় আশূরা দিবসের সম্মান প্রদর্শন করতো এবং তারা এ দিনকে ঈদ বলে গণ্য করতো। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সা: বললেন, “তোমরা এ দিনে সিয়াম পালন করো।” সহীহ মুসলিম- ১১৩১
মুহাররাম মাস ও আশূরার সঠিক ইতিহাস ও এ সংক্রান্ত করণীয় বিষয়গুলো কেবলই ইসলামী শারী’আতের নির্ভরযোগ্য মাধ্যম তথা কুরআন ও সহীহ হাদীস থেকে জানতে হবে। এ সংকলন আপনার জানার দ্বার উন্মোচন করে দিবে, ইনশাআল্লাহ।
মাকতাবাত আলমুফলিহুন